নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ২৫ বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব বাংলাদেশের

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) ‘ইরান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এশিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়, ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আমদানি-নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক দুর্বলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করছে পাকিস্তান

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে এক বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে হরমুজ প্রণালি ঘিরে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাজার এখন অস্থির সময় পার করছে। এসময় পাকিস্তানের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা দেশটিকে বড় জ্বালানি ধাক্কা থেকে রক্ষা করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি আমদানির চাপে থাকা বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ)- এর এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সৌরবিদ্যুতের কারণে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তান তেল ও গ্যাস আমদানিতে ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় কমিয়েছে। বর্তমান দামের ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে আরও ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হতে পারে।